রিয়াল মাদ্রিদের সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না। মায়োর্কার পর বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে গত রাতে মাঠে নেমেছিল দলটা। ঘরের মাঠ বার্নাবেউতে এই রাতেও জয়ে ফেরা হলো না তাদের। জিরোনার সঙ্গে ১-১ ড্র করে লা লিগার শিরোপার দৌড়ে তারা আরও পিছিয়ে পড়েছে।
এই ম্যাচে রিয়াল জিতলে বার্সেলোনার সাথে পয়েন্টের ব্যবধান মাত্র চার পয়েন্টে নামত। কিন্তু এখন যদি বার্সেলোনা শনিবার এস্পানিওলকে হারায়, তাহলে তারা রিয়ালের চেয়ে নয় পয়েন্ট এগিয়ে যাবে।
প্রথমার্ধে দুই দলের কেউই গোল পায়নি। বিরতির পর ছয় মিনিটের মাথায় ফেদেরিকো ভালভার্দে রিয়ালকে এগিয়ে দেন। তিনি বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে গোলরক্ষক পাউলো গাজানিগাকে পরাস্ত করেন। কিন্তু ১১ মিনিট পরেই থমাস লেমার ডান দিক থেকে ছুটে এসে গোলরক্ষক আন্দ্রেই লুনিনকে কাটিয়ে সমতা ফেরান।
এরপর রিয়ালের তারকারা আর কিছু করতে পারেননি। কিলিয়ান এমবাপ্পে একটি পেনাল্টির আবেদন করেছিলেন, কিন্তু রেফারি তা মানেননি। ম্যাচ শেষের বাঁশিতে দর্শকরা হতাশায় হইচই করে ওঠেন।
রিয়ালের কোচ আলভারো আরবেলোয়া গত সপ্তাহে মায়োর্কার বিপক্ষে দুর্বল দল নামিয়েছিলেন। সেটা ছিল বায়ার্ন মিউনিখের সাথে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচের আগে শক্তি বাঁচানোর চেষ্টা। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণিত হয়, কারণ মায়োর্কার কাছে হেরে যায় রিয়াল। এরপর বায়ার্নের কাছেও ২-১ গোলে হেরেছে তারা।
এমবাপ্পে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং জুড বেলিংহামের মতো তারকারা পুরো ম্যাচে জ্বলে উঠতে পারেননি। টেবিলে ১২তম স্থানে থাকা জিরোনার সঙ্গে তাই ড্রয়ে বাধ্য হতে হলো রিয়ালকে।
এখন লা লিগায় আরও সাত রাউন্ড বাকি। বার্সেলোনা শিরোপার একেবারে কাছেই আছে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও রিয়ালের অবস্থা ভালো নয়। কোয়ার্টার ফাইনালে নিজেদের মাঠে বায়ার্নের কাছে ২-১ গোলে হেরেছে দলটা, আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে ফিরতি লেগে তাদের মাঠে গিয়েই ‘কামব্যাক’ করতে হবে রিয়ালকে।
আলভারো আরবেলোয়া জানুয়ারিতে সাবেক কোচ জাবি আলোনসোর জায়গা নিয়েছেন। তবে এরপর থেকে তার অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। ২৮ ম্যাচে ৫টি হারের পরই বিদায়ঘণ্টা বেজে গিয়েছিল জাবির, তার বদলে মাদ্রিদ ডাগআউটে আসা আরবেলোয়া ইতোমধ্যেই হেরে বসেছেন ৬টি ম্যাচে, তাও আবার জাবির চেয়ে ৮ ম্যাচ কম খেলেই!


